প্রতিদিন মানুষের ঘরবাড়ি, বাজার, শিল্পকারখানা, হাসপাতাল, কৃষিজমি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য তৈরি হচ্ছে। একসময় এসব বর্জ্যকে কেবল ‘ময়লা’ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও আধুনিক প্রযুক্তি সেই ধারণা বদলে দিচ্ছে। সঠিক প্রযুক্তি, পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বর্জ্যের বড় একটি অংশ পুনর্ব্যবহার করে জ্বালানি, সার, বিদ্যুৎ, শিল্পের কাঁচামালসহ নানা ধরনের সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো বর্জ্যকে উৎসস্থলেই আলাদা করা এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপাদানকে সঠিকভাবে সংগ্রহ করা। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে পারলে একদিকে যেমন পরিবেশদূষণ কমবে, অন্যদিকে তৈরি হবে নতুন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও কর্মসংস্থানের সুযোগ।

বর্জ্য নয়, মূল্যবান সম্পদ

বর্জ্যের মধ্যে রয়েছে নানা ধরনের মূল্যবান উপাদান। কাগজ, প্লাস্টিক, কাচ, লোহা, অ্যালুমিনিয়ামসহ বিভিন্ন ধাতু পুনর্ব্যবহার করা যায়। রান্নাঘর ও বাজারের জৈব বর্জ্য থেকে তৈরি হতে পারে কম্পোস্ট সার ও বায়োগ্যাস। আবার নির্দিষ্ট ধরনের বর্জ্য থেকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদনও সম্ভব।

এ কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এখন বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে পরিবেশগত সমস্যা হিসেবে দেখার পাশাপাশি ‘সার্কুলার ইকোনমি’ বা চক্রাকার অর্থনীতির অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এই ব্যবস্থায় কোনো পণ্য ব্যবহারের পর তা সরাসরি ফেলে না দিয়ে পুনর্ব্যবহার, মেরামত, পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কিংবা অন্য কাজে ব্যবহার করা হয়।

স্মার্ট ডাস্টবিনে শুরু হতে পারে পরিবর্তন

প্রযুক্তিনির্ভর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রথম ধাপ হতে পারে স্মার্ট ডাস্টবিন। সেন্সরযুক্ত এসব বিনে কতটুকু বর্জ্য জমেছে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করা যায়। নির্দিষ্ট মাত্রায় বর্জ্য জমলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সংকেত পাঠানো সম্ভব।

এর ফলে বর্জ্য সংগ্রহের গাড়ি নির্দিষ্ট সময়সূচির পরিবর্তে প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট স্থানে যেতে পারে। এতে জ্বালানি খরচ কমবে, সময় বাঁচবে এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে গাড়ি চলাচলও কমবে। বড় শহরে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করলে বর্জ্য সংগ্রহ ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ ও পরিবেশবান্ধব করা সম্ভব।

আরো পড়ুন: এআইয়ের ক্ষতিকর দিক: আশীর্বাদের আড়ালে বাড়ছে নানা ঝুঁকি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বর্জ্য বাছাই

বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো বর্জ্য আলাদা করা। আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি এ কাজে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

ক্যামেরা, সেন্সর, মেশিন লার্নিং ও রোবোটিক প্রযুক্তির সাহায্যে বর্জ্যের স্তূপ থেকে প্লাস্টিক, কাগজ, কাচ, ধাতু ও জৈব উপাদান শনাক্ত করে আলাদা করা যায়। আগে যেখানে বিপুল শ্রমের প্রয়োজন হতো, সেখানে স্বয়ংক্রিয় বাছাই প্রযুক্তি দ্রুত ও নির্ভুলভাবে কাজ করতে পারে।

এভাবে আলাদা করা প্লাস্টিক পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করে নতুন প্লাস্টিক পণ্য তৈরি করা সম্ভব। কাগজ থেকে তৈরি করা যায় নতুন কাগজ ও কার্টন। কাচ গলিয়ে নতুন বোতল বা অন্যান্য সামগ্রী তৈরি করা যায়। ধাতু পুনর্ব্যবহার করে শিল্পকারখানার কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে নতুন পণ্য

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বহু দেশের অন্যতম বড় পরিবেশগত সমস্যা প্লাস্টিক বর্জ্য। পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল, প্যাকেট ও বিভিন্ন প্লাস্টিক সামগ্রী দীর্ঘদিন পরিবেশে থেকে যায়। নদী-খাল, নালা ও সমুদ্রে গিয়ে এসব বর্জ্য জলজ পরিবেশের জন্যও হুমকি তৈরি করে।

তবে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করে পরিষ্কার, শ্রেণিবিন্যাস ও প্রক্রিয়াজাত করা যায়। এরপর তা ভেঙে প্লাস্টিকের দানা বা পেলেট তৈরি করা হয়। এসব পেলেট ব্যবহার করে আবার বিভিন্ন প্লাস্টিক পণ্য তৈরি করা সম্ভব।

কিছু উন্নত প্রযুক্তিতে নির্দিষ্ট ধরনের প্লাস্টিককে রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভেঙে পুনরায় কাঁচামালে পরিণত করা হয়। ফলে নতুন প্লাস্টিক উৎপাদনে কাঁচামালের ওপর চাপ কমে এবং বর্জ্যের পরিমাণও কমানো যায়।

জৈব বর্জ্য থেকে কম্পোস্ট সার

শহরের বাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বাসাবাড়ির বড় একটি অংশের বর্জ্যই জৈব। সবজি ও ফলের খোসা, খাবারের উচ্ছিষ্ট, পচনশীল কৃষিজ বর্জ্য ইত্যাদি সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা গেলে এগুলো পরিবেশের বোঝা না হয়ে সম্পদে পরিণত হতে পারে।

কম্পোস্টিং প্রযুক্তির মাধ্যমে জৈব বর্জ্যকে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে পচিয়ে জৈব সার তৈরি করা যায়। আধুনিক কম্পোস্টিং ব্যবস্থায় তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও অক্সিজেনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ফলে তুলনামূলক দ্রুত ও মানসম্মত কম্পোস্ট তৈরি করা যায়।

এই সার কৃষিজমিতে ব্যবহার করলে রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি মাটির জৈব গুণাগুণ উন্নত করা সম্ভব।

আরো পড়ুন: প্রযুক্তির ব্যবহারে কৃষিতে বিপ্লব

বায়োগ্যাসে রান্নার জ্বালানি

জৈব বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদনও হতে পারে কার্যকর সমাধান। খাবারের উচ্ছিষ্ট, গোবর, কৃষিজ বর্জ্যসহ বিভিন্ন জৈব উপাদান অক্সিজেনবিহীন পরিবেশে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় পচিয়ে বায়োগ্যাস তৈরি করা যায়।

এই গ্যাস রান্নার কাজে ব্যবহার করা সম্ভব। নির্দিষ্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে বায়োগ্যাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনও করা যায়। একই প্রক্রিয়ায় অবশিষ্ট উপাদান থেকে জৈব সার পাওয়া যায়।

অর্থাৎ একই বর্জ্য থেকে জ্বালানি ও সার দুই ধরনের সম্পদ তৈরি করা সম্ভব। গ্রামাঞ্চলে খামার, বাজার ও কৃষিভিত্তিক এলাকায় এই প্রযুক্তির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে আলোচিত প্রযুক্তিগুলোর একটি হলো ‘ওয়েস্ট-টু-এনার্জি’। এই প্রযুক্তিতে নির্দিষ্ট ধরনের বর্জ্যকে প্রক্রিয়াজাত করে তাপ বা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

তবে সব ধরনের বর্জ্য সরাসরি পোড়ানো নিরাপদ নয়। বর্জ্যের ধরন, আর্দ্রতা, রাসায়নিক উপাদান এবং নির্গমন নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে প্রযুক্তি নির্বাচন করতে হয়। আধুনিক প্ল্যান্টে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন ফিল্টার ও গ্যাস পরিশোধন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়।

সঠিকভাবে পরিচালনা করা গেলে ল্যান্ডফিলে জমা হওয়া বর্জ্যের পরিমাণ কমানোর পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে শক্তি উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বর্জ্য থেকে নির্মাণসামগ্রী

কিছু বর্জ্যকে পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করে নির্মাণ খাতেও ব্যবহার করা সম্ভব। পুরোনো কংক্রিট, ইট, নির্মাণ ও ভাঙাচোরা সামগ্রী প্রক্রিয়াজাত করে নির্দিষ্ট কাজে পুনরায় ব্যবহার করা যায়।

এ ছাড়া কিছু শিল্পবর্জ্য ও ছাই নির্দিষ্ট মান ও নিরাপত্তা যাচাইয়ের পর নির্মাণসামগ্রীর কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে প্রাকৃতিক সম্পদ থেকে নতুন কাঁচামাল আহরণের চাপ কমানো সম্ভব।

ই-বর্জ্য থেকেও মিলতে পারে মূল্যবান ধাতু

বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, টেলিভিশন, ফ্রিজসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ই-বর্জ্যও বাড়ছে। এসব পণ্যের ভেতরে তামা, অ্যালুমিনিয়াম, লোহা এবং কিছু মূল্যবান ধাতু থাকে।

আধুনিক ই-বর্জ্য পুনঃপ্রক্রিয়াজাত প্রযুক্তির মাধ্যমে এসব উপাদান উদ্ধার করা যায়। তবে ই-বর্জ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক ও ভারী ধাতু থাকতে পারে। তাই অনিয়ন্ত্রিতভাবে ভাঙা বা পোড়ানোর পরিবর্তে অনুমোদিত ও নিরাপদ প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করা জরুরি।

আরো পড়ুন: সড়ক দুর্ঘটনা রোধে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার জরুরি

ডেটা প্রযুক্তিতে পুরো ব্যবস্থাপনায় নজরদারি

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শুধু সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহার নয়, তথ্য ব্যবস্থাপনাও গুরুত্বপূর্ণ। জিপিএস, আইওটি বা ইন্টারনেট অব থিংস, ক্লাউড ডেটা ও বিশ্লেষণী সফটওয়্যার ব্যবহার করে কোন এলাকায় কত বর্জ্য তৈরি হচ্ছে, কখন সংগ্রহ প্রয়োজন এবং কোন ধরনের বর্জ্য বেশি তৈরি হচ্ছে—এসব তথ্য বিশ্লেষণ করা যায়।

এই তথ্যের ভিত্তিতে সিটি করপোরেশন বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো বর্জ্য সংগ্রহের রুট ও সময়সূচি নির্ধারণ করতে পারে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোন এলাকায় কত ধরনের বর্জ্য তৈরি হতে পারে, সে সম্পর্কেও পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব।

বাংলাদেশে বড় সম্ভাবনা

বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে প্রযুক্তিনির্ভর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন দিন দিন বাড়ছে। রাজধানীসহ বড় শহরগুলোতে বাসাবাড়ি, বাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য তৈরি হয়। এসব বর্জ্যের বড় অংশ যদি উৎসস্থলেই আলাদা করা যায়, তাহলে পুনর্ব্যবহারের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে।

তবে প্রযুক্তি ব্যবহারের আগে প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা। বর্জ্য আলাদা করার জন্য নাগরিকদের উৎসাহিত করা, পৃথক বিন স্থাপন, নিয়মিত সংগ্রহ ব্যবস্থা, পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্যের বাজার তৈরি এবং বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করা জরুরি।

একই সঙ্গে আধুনিক বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্ল্যান্ট স্থাপন, দক্ষ জনবল তৈরি, পরিবেশগত মানদণ্ড নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত তদারকি করতে হবে।

তৈরি হতে পারে নতুন অর্থনীতি

বর্জ্য থেকে সম্পদ তৈরির ধারণা শুধু পরিবেশ রক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর মাধ্যমে নতুন শিল্প ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। বর্জ্য সংগ্রহ, বাছাই, পরিবহন, পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ, কম্পোস্ট উৎপাদন, বায়োগ্যাস, পুনর্ব্যবহারযোগ্য পণ্য উৎপাদনসহ নানা খাতে ব্যবসার সুযোগ রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্জ্যকে অর্থনীতির অংশ হিসেবে বিবেচনা করা গেলে স্থানীয় পর্যায়ে উদ্যোক্তা তৈরি হতে পারেন। একই সঙ্গে পুনর্ব্যবহারযোগ্য কাঁচামালের বাজার সম্প্রসারিত হলে আমদানিনির্ভরতা কিছুটা কমানো সম্ভব হতে পারে।

প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ

প্রযুক্তি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যার বড় অংশ সমাধান করতে পারে, কিন্তু প্রযুক্তি একা সব সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। নাগরিক সচেতনতা, আইন প্রয়োগ, সঠিক অবকাঠামো, অর্থায়ন এবং সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ও জরুরি।

বর্জ্যকে উৎসস্থলে আলাদা না করলে আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকারিতা অনেকটাই কমে যায়। তাই বাসাবাড়ি, বাজার ও প্রতিষ্ঠানে জৈব, পুনর্ব্যবহারযোগ্য ও অন্যান্য বর্জ্য আলাদা করার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভবিষ্যতের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা হবে প্রযুক্তিনির্ভর, তথ্যভিত্তিক ও পরিবেশবান্ধব। যেখানে বর্জ্যকে আর কেবল ফেলে দেওয়ার বস্তু হিসেবে দেখা হবে না; বরং তা হবে নতুন পণ্য, জ্বালানি, সার ও শিল্পের কাঁচামালের উৎস।

পরিবেশ রক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নদুই দিক থেকেই বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের এই প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। এখন প্রয়োজন সঠিক নীতি, বিনিয়োগ ও পরিকল্পনার মাধ্যমে এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে কাজে লাগানো। তাহলে আজকের ‘বর্জ্য’ই আগামী দিনের মূল্যবান সম্পদে পরিণত হতে পারে।