দেশের অর্থনীতিতে তথ্যপ্রযুক্তি বা আইটি খাত এখন আর কেবল কম্পিউটার, সফটওয়্যার কিংবা ওয়েবসাইট তৈরির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, মোবাইল অ্যাপ, ক্লাউড কম্পিউটিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সাইবার নিরাপত্তা, ফিনটেক, হেলথটেক, ই-কমার্স, বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (BPO), গেমিং, ডেটা অ্যানালিটিক্সসহ নানা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে। একই সঙ্গে দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান বিদেশি গ্রাহকের জন্য সফটওয়্যার ও প্রযুক্তিসেবা তৈরি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে।
বাংলাদেশের সফটওয়্যার ও আইটি-সক্ষম সেবা খাতের সবচেয়ে বড় সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস—বেসিস (BASIS)। ২০২৬ সালের শুরুতে প্রকাশিত বেসিসের তথ্য অনুযায়ী, সংগঠনটির সদস্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২ হাজার ৭০০ ছাড়িয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের রপ্তানি কার্যক্রম ১০৪টি দেশে বিস্তৃত। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ৫০০ সদস্য প্রতিষ্ঠান রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত ছিল, যার মধ্যে প্রায় ৩০০ প্রতিষ্ঠান নিয়মিত রপ্তানিকারক হিসেবে কাজ করেছে। একই সময়ে দেশে আইটি পেশাজীবীর সংখ্যা ৫ লাখের বেশি বলে বেসিস জানিয়েছে।
সফটওয়্যার খাতে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর উত্থান
বাংলাদেশের আইটি খাতে বর্তমানে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে BJIT, Brain Station 23, SELISE Digital Platforms, Enosis Solutions, Therap (BD), Cefalo Bangladesh, Samsung R&D Institute Bangladesh, Data Path, Radiant Data Systems এবং ULKASEMI উল্লেখযোগ্য।
২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বেসিস আয়োজিত IT Exporters’ Night-এ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শীর্ষ ১০ আইটি ও আইটিইএস রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে এসব কোম্পানিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানগুলো সফটওয়্যার উন্নয়ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, গবেষণা ও উন্নয়ন, ফিনটেক এবং হেলথটেকের মতো উচ্চমূল্যের প্রযুক্তিসেবায় কাজ করছে।
এর মধ্যে BJIT দীর্ঘদিন ধরে জাপানসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজারে সফটওয়্যার ও প্রযুক্তিসেবা দিয়ে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শীর্ষ ১০ আইটি ও আইটিইএস রপ্তানিকারকের তালিকায় জায়গা করে নেয়।
অন্যদিকে Brain Station 23 বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত সফটওয়্যার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি ব্যাংকিং, ফিনটেক, স্বাস্থ্যসেবা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্লাউড এবং এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করছে।
প্রযুক্তি যেভাবে হয়ে উঠছে চাকরির প্রধান হাতিয়ার
সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে
দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও আইটি প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদা বাড়ছে। ব্যাংক, বিমা, টেলিকম, পোশাকশিল্প, ওষুধশিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে অটোমেশন ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা বাড়ায় সফটওয়্যার কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন বাজার তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশে স্থানীয় সফটওয়্যার ও আইটি-সক্ষম সেবা শিল্পের বিকাশে বড় ভূমিকা রেখেছে DataSoft Systems, eGeneration, TigerIT, Dohatec New Media, LeadSoft, Kaz Software, ServicEngine, Pridesys IT, Vivasoft, Nascenia, W3 Engineers, Riseup Labsসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
এদের কেউ সরকারি ডিজিটাল সেবা, কেউ ব্যাংকিং সফটওয়্যার, কেউ এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ERP), আবার কেউ মোবাইল অ্যাপ, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, গেম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে।
পরিচয় ও নিরাপত্তা প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের সাফল্য
দেশীয় আইটি প্রতিষ্ঠান TigerIT পরিচয় ব্যবস্থাপনা ও বায়োমেট্রিক প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত নাম। প্রতিষ্ঠানটি সরকারি ও রাষ্ট্রীয় সংস্থার জন্য পরিচয় ব্যবস্থাপনা, বায়োমেট্রিক এবং নিরাপত্তা প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারেও তাদের কার্যক্রম রয়েছে।
এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার ফলে বাংলাদেশের আইটি কোম্পানিগুলো শুধু সফটওয়্যার তৈরি নয়, বরং বড় ধরনের প্রযুক্তি অবকাঠামো ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের ডিজিটাল প্রকল্প বাস্তবায়নের সক্ষমতাও অর্জন করছে।
স্বাস্থ্য ও শিক্ষা প্রযুক্তিতে নতুন সম্ভাবনা
বাংলাদেশের আইটি খাতে স্বাস্থ্যসেবা বা HealthTech এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। Therap (BD) স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যারে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করছে। স্বাস্থ্যসেবা, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা, রোগীর তথ্য, চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত ডেটা বিশ্লেষণের জন্য সফটওয়্যারের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে।
একইভাবে শিক্ষা খাতেও প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। অনলাইন শিক্ষা, ডিজিটাল কনটেন্ট, পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা, শিক্ষার্থী ব্যবস্থাপনা এবং অনলাইন পেমেন্টের মতো সেবায় প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বিস্তৃত হচ্ছে।
বিজ্ঞান ও কোরআন: জ্ঞান, সৃষ্টি ও মহাবিশ্বের রহস্য অনুসন্ধানে এক অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি
ফিনটেক ও ডিজিটাল আর্থিক সেবা
বাংলাদেশের আইটি খাতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হলো FinTech বা আর্থিক প্রযুক্তি। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, ডিজিটাল পেমেন্ট, অনলাইন ব্যাংকিং, পেমেন্ট গেটওয়ে এবং ডিজিটাল লেনদেনের বিস্তারের ফলে এই খাতে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের চাহিদা বাড়ছে।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কোর ব্যাংকিং, সাইবার নিরাপত্তা, ডেটা ব্যবস্থাপনা এবং ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামো তৈরি করতেও দেশীয় সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে।
ক্লাউড, AI ও সাইবার নিরাপত্তায় নতুন দিগন্ত
বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তির সবচেয়ে দ্রুত পরিবর্তনশীল ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং ও সাইবার নিরাপত্তা। বাংলাদেশের আইটি কোম্পানিগুলোও এসব প্রযুক্তির দিকে দ্রুত এগোচ্ছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে ডেটা বিশ্লেষণ, গ্রাহকসেবা, সফটওয়্যার কোড তৈরি, ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং অটোমেশন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ক্লাউড প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ডেটা ও সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনা আরও সহজ করছে।
সাইবার হামলার ঝুঁকি বাড়ায় সাইবার নিরাপত্তাও এখন আইটি ব্যবসার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। ব্যাংক, সরকারি প্রতিষ্ঠান, টেলিকম ও বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ডিজিটাল অবকাঠামো সুরক্ষায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি কোম্পানির সহায়তা নিচ্ছে।
BPO ও আউটসোর্সিংয়ে বাংলাদেশের বড় বাজার
বাংলাদেশের আইটি খাতের একটি বড় শক্তি হলো IT-enabled Services বা ITES এবং Business Process Outsourcing (BPO)। কল সেন্টার, কাস্টমার সাপোর্ট, ডেটা প্রসেসিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক ডিজাইন, অ্যাকাউন্টিং, ব্যাক-অফিস সাপোর্টসহ নানা ধরনের কাজ বিদেশি কোম্পানির হয়ে করছে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো।
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সফটওয়্যার, ITeS ও হার্ডওয়্যার রপ্তানিতে ১০ শতাংশ রপ্তানি প্রণোদনার ব্যবস্থা রয়েছে। একই সঙ্গে সরকার বিদেশি কোম্পানিগুলোর জন্য বাংলাদেশে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট হাব ও ক্যাপটিভ BPO সেন্টার স্থাপনের সম্ভাবনাকেও গুরুত্ব দিচ্ছে।
রপ্তানিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান
বেসিসের ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের আইটি ও আইটিইএস প্রতিষ্ঠানগুলো ১০৪টি দেশে সেবা রপ্তানি করছে। যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, নরওয়ে, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস, হংকং, সিঙ্গাপুর ও কানাডা বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ আইটি রপ্তানি বাজার।
এর ফলে দেশের আইটি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন শুধু স্থানীয় বাজারের ওপর নির্ভরশীল নয়। অনেক কোম্পানি বিদেশি গ্রাহকদের জন্য সফটওয়্যার, মোবাইল অ্যাপ, ক্লাউড সেবা, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অন্যান্য প্রযুক্তিসেবা সরবরাহ করছে।
Pridesys IT-এর মতো প্রতিষ্ঠানও আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের সফটওয়্যার ও আইটি সেবা সম্প্রসারণ করছে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, তারা ১৪টি দেশে সফটওয়্যার ও আইটি সেবা রপ্তানি করেছে এবং তাদের সমাধান প্রায় ৪৫টি দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে।
যেসব আইটি প্রশিক্ষণ বদলে দেবে জীবন
আইটি খাতে কর্মসংস্থানের বড় সম্ভাবনা
বাংলাদেশের আইটি খাতের অন্যতম বড় সুবিধা হলো তরুণ জনগোষ্ঠী। প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান থেকে বিপুলসংখ্যক তরুণ প্রযুক্তি খাতে প্রবেশ করছে।
বেসিসের ২০২৬ সালের প্রকাশনায় দেশে ৫ লাখের বেশি আইটি পেশাজীবীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে শুধু কর্মীর সংখ্যা বাড়ালেই হবে না, আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য দক্ষ সফটওয়্যার প্রকৌশলী, AI বিশেষজ্ঞ, সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, ক্লাউড আর্কিটেক্ট, ডেটা সায়েন্টিস্ট এবং প্রোডাক্ট ম্যানেজার তৈরির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
বড় চ্যালেঞ্জ দক্ষ জনবল ও উচ্চমূল্যের প্রযুক্তি
বাংলাদেশের আইটি খাতের সম্ভাবনা ব্যাপক হলেও কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো দক্ষ জনবলের ঘাটতি, শিল্পের সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থার সমন্বয়ের অভাব, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্র্যান্ড পরিচিতি এবং বড় আকারের প্রকল্প বাস্তবায়নের সক্ষমতা।
২০২৫ সালে বেসিস ও আইসিটি বিভাগের এক আলোচনায় ছোট আইটি প্রতিষ্ঠানকে বড় করা, শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো, রপ্তানি তথ্যের কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা এবং ফিনটেক, এডটেক ও হেলথটেকের মতো বিশেষায়িত খাতে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশকে এখন কমমূল্যের আউটসোর্সিং থেকে বের হয়ে সফটওয়্যার পণ্য, AI, ক্লাউড, সাইবার নিরাপত্তা এবং নিজস্ব প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম তৈরির দিকে যেতে হবে।
সামনে বড় বাজার
বাংলাদেশের আইটি ও আইটিইএস খাতের সম্ভাবনা নিয়ে শিল্পসংশ্লিষ্টদের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। ২০২৬ সালের বেসিসের প্রকাশনায় দেখা যায়, ২ হাজার ৭০০-এর বেশি সদস্য প্রতিষ্ঠান, ১০৪টি রপ্তানি গন্তব্য এবং ৫ লাখের বেশি আইটি পেশাজীবী নিয়ে দেশের প্রযুক্তি খাত এখন একটি বড় অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেমে পরিণত হয়েছে।
তবে শুধু প্রতিষ্ঠান ও কর্মীর সংখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়। বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোকে নিজেদের প্রযুক্তি পণ্য তৈরি, গবেষণা ও উন্নয়ন বাড়ানো, আন্তর্জাতিক মানের সার্টিফিকেশন অর্জন এবং বিশ্ববাজারে শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেদের পরিচিত করার দিকে আরও বেশি মনোযোগ দিতে হবে।
বাংলাদেশের আইটি খাত এখন এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে দেশের অভ্যন্তরীণ ডিজিটালাইজেশনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও বড় ধরনের ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। Brain Station 23, BJIT, SELISE, Therap, Enosis, DataSoft, TigerIT, eGeneration, Pridesys, Vivasoft, LeadSoft, Kaz Software, ServicEngine, Riseup Labsসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সেই সম্ভাবনার উদাহরণ।
সঠিক নীতি সহায়তা, দক্ষ জনবল, উন্নত প্রযুক্তি অবকাঠামো, বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে আরও শক্তিশালী উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে আইটি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাতে পরিণত হতে পারে।